১৯০+ বাছাইকরা জন্মদিনের ফানি ক্যাপশন ও স্ট্যাটাস
জন্মদিন মানেই যে শুধু কেক আর মোমবাতি, তা কিন্তু নয়। প্রিয়জনের বিশেষ দিনটিতে একটু খুনসুটি আর হাসাহাসি না থাকলে কি চলে? ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছোঁয়ার সাথে সাথেই মেসেজ বক্সটা ভরে ওঠে সেই একঘেয়ে ‘হ্যাপি বার্থডে’ টেক্সটে। একটু আলাদা কিছু করতে চাইলে জন্মদিনের ফানি ক্যাপশন ব্যবহার না করে উপায় নেই।
সিরিয়াস কথাবার্তা তো সারা বছরই হয়, আজকের দিনটা না হয় শুরু হোক হাসির হুল্লোড় দিয়ে, যাতে আপনার কাছের মানুষটি মেসেজটা পড়েই হেসে কুটিপাটি হয়।
বাছাইকরা জন্মদিনের ফানি শুভেচ্ছা বার্তা
শত শত মেসেজের ভিড়ে আপনার উইশটা যদি নজর না কাড়ে, তাহলে আর উইশ করে লাভ কী? ইন্টারনেট ঘেঁটে ক্লান্ত হওয়ার দিন শেষ, কারণ বাছাইকরা জন্মদিনের ফানি শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে আমরা সাজিয়েছি এই তালিকা, যা পেটের খিল ধরিয়ে দেবে নিশ্চিত। একঘেয়েমি কাটিয়ে কাউকে হাসাতে চাইলে এই কথাগুলো জাদুর মতো কাজ করে।
বয়স তো বেড়েই চলেছে, কিন্তু বুদ্ধির গ্রোথটা সেই ছোটবেলায়ই আটকে গেল কেন? তবুও জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
আজকের দিনে মোমবাতি নেভানোর সময় সাবধানে ফু দিস, তোর মুখের যা জোর, আগুন উল্টো দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তোর জন্মদিনে ভাবছিলাম দারুণ একটা গিফট দেবো, কিন্তু আমার চেয়ে ভালো গিফট আর কী হতে পারে? তাই আমিই চলে এলাম।
শুভ জন্মদিন! দুশ্চিন্তা করিস না, বুড়ো হচ্ছিস তো কী হয়েছে? তোর শয়তানিগুলো তো এখনো চিরসবুজ।
ছোটবেলায় ভাবতাম তুই বড় হয়ে অনেক নাম করবি, এখন দেখি তুই শুধু ঘুমের রেকর্ডই করছিস। শুভ জন্মদিন কুম্ভকর্ণ।
কেক কাটার সময় ছবি তোলার জন্য পোজ দিস না, লোকে ভাববে কেকটাই বেশি সুন্দর। শুভ জন্মদিন!
বয়স বাড়াটা প্রকৃতির নিয়ম, কিন্তু তোর ক্ষেত্রে সেটা প্রকৃতির ভুল মনে হচ্ছে। শুভ জন্মদিন মিস্টার কনফিউশন।
আজকের দিনটা তোর জন্য স্পেশাল, কারণ আজকের পরেই তোর আয়ু আরো এক বছর কমে গেল।
শুভ জন্মদিন! আশা করি আজকের দিনটা তোর মেকআপ ছাড়াই সুন্দর কাটবে।
পৃথিবীর ওজন আরো এক বছর ধরে বহন করার জন্য তোকে মেডেল দেওয়া উচিত। শুভ জন্মদিন বোঝা!
বন্ধু ও বেস্ট ফ্রেন্ডের ফানি বার্থডে উইশ
যাদের সাথে জীবনের সবচেয়ে অদ্ভুত আর পাগলাটে সময়গুলো কেটেছে, তাদের জন্মদিনে কি আর ভালোমানুষি সাজা মানায়? বন্ধু ও বেস্ট ফ্রেন্ডের ফানি বার্থডে উইশ হওয়া চাই একদম সোজাসাপ্টা, যেখানে আবেগের চেয়ে ইয়ার্কি আর খুনসুটিই থাকবে বেশি। দোস্তকে বুঝিয়ে দিন, বয়স বাড়লেও তার বুদ্ধি সেই আগের মতোই হাঁটুতে রয়ে গেছে।
দোস্ত, তুই যত বুড়োই হস না কেন, আমাদের মেন্টাল হসপিটালের বেডটা কিন্তু পাশাপাশিই বুক করা থাকবে। শুভ জন্মদিন!
তোর জন্মদিনে একটাই দোয়া করি, আল্লাহ তোকে শীঘ্রই একটা মস্তিষ্ক দান করুক। শুভ জন্মদিন ব্রেনলেস ফ্রেন্ড।
সত্যিকারের বন্ধু তো সেই, যে জন্মদিনে গিফট না দিয়ে পুরনো লজ্জাজনক ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়। অপেক্ষা কর, আসছি!
শুভ জন্মদিন দোস্ত! তোর সিক্রেটগুলো আমার কাছে সেফ আছে, তবে ট্রিট না দিলে লিক হতে সময় লাগবে না।
তুই আমার জীবনের সেই ভুল, যেটা আমি বারবার করতে চাই। শুভ জন্মদিন পাগল!
দোস্ত, তোর জন্মদিনে কেক কাটার দরকার নেই, তুই হাসলেই তো কেকের ক্রিম গলে পড়ে।
আমাদের বন্ধুত্বের মেয়াদ তোর দাঁত পড়ে যাওয়া পর্যন্ত থাকবে। শুভ জন্মদিন ফোকলা বুড়ো।
তোর জন্মদিনে উইশ করার জন্য গুগল সার্চ করছিলাম, কিন্তু ‘ফালতু বন্ধুর জন্য ক্যাপশন’ লিখে কিছু পেলাম না। তাই এমনিই বলে দিলাম—হ্যাপি বার্থডে!
তুই যতদিন বেঁচে থাকবি, ততদিন আমার কোনো শত্রু লাগবে না। শুভ জন্মদিন শত্রু কাম বন্ধু।
দোস্ত, আজকের দিনে অন্তত গোসলটা করিস, জীবাণুগুলোও তো একটু বিশ্রাম চায়।
বন্ধুকে রোস্ট করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
বন্ধুত্ব কতটা খাঁটি তা বোঝা যায় একে অপরকে কতটা পচানো যায় তার ওপর। তাই সাধারণ উইশ বাদ দিয়ে বন্ধুকে রোস্ট করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর মজাই আলাদা। আজ তাকে এমনভাবে পচান যেন সে হাসতে হাসতে কান্নাই করে দেয়; মনে রাখবেন, সত্যিকারের বন্ধুরা প্রশংসা করে না, বরং জনসমক্ষে ইজ্জত পাংচার করে দেয়।
চিড়িয়াখানা থেকে ফোন করেছিল, ওদের একটা শিম্পাঞ্জি মিসিং। তুই সাবধানে থাকিস ভাই, জন্মদিনে বাইরে বের হস না।
তোর জন্মদিনে কেকের ওপর মোমবাতি বসাবো না, কারণ প্লাস্টিক গললে পরিবেশ দূষণ হয়।
শুভ জন্মদিন! তোর মতো বন্ধু পাওয়ার পর আমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে, বিবর্তনবাদ আসলে সত্যি, বানর থেকে মানুষ হওয়া সম্ভব।
আজকের দিনে তোর মা-বাবাকে নোবেল দেওয়া উচিত, তোর মতো একটা ডিজাস্টারকে এত বছর সহ্য করার জন্য।
তুই জন্মেছিলি বলেই আজ বুঝতে পারছি, ধৈর্য কতটা শক্তিশালী হতে পারে। শুভ জন্মদিন বিরক্তির প্রতীক।
তোর যা চেহারা, তাতে বার্থডে ক্যাপ পরলে তোকে আইসক্রিমের কোন মনে হয়।
শুভ জন্মদিন! তোর ভবিষ্যতের মতোই তোর কেকটাও অন্ধকার, কারণ মোমবাতি কেনার টাকা নেই আমার কাছে।
আয়নাবাজির দরকার নেই, তুই আয়নার সামনে দাঁড়ালেই আয়না আত্মহত্যা করতে চায়। শুভ জন্মদিন সেলফিশ।
তোর জন্মদিনে উইশ করতে এসে দেখি, ফেসবুকে তোর প্রোফাইল পিকচার দেখে মশা পর্যন্ত স্কিপ করে চলে যাচ্ছে।
আজকের দিনে বেশি হাসিস না, দাঁতের যা অবস্থা, লোকে ভাববে ঘোড়ার জন্মদিন পালন হচ্ছে।
ভাই-বোন ও কাজিনদের নিয়ে মজার বার্থডে পোস্ট
রিমোট নিয়ে কাড়াকাড়ি আর খাবারের ভাগ নিয়ে মারামারি করেই যাদের সাথে বড় হওয়া, তাদের জন্য ফর্মাল কথাবার্তা একদমই বেমানান। ভাই-বোন ও কাজিনদের নিয়ে মজার বার্থডে পোস্ট করার সময় ছোটবেলার সেই দুষ্টুমিগুলোই শব্দে গেঁথে দিন। পারিবারিক গ্রুপ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের গোপন কোনো বোকামির কথা ফাঁস করে দেওয়ার এটাই তো সেরা সুযোগ।
আম্মু তো বলছিল তোকে ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে এনেছে, তবুও মায়া লাগে তাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালাম।
শুভ জন্মদিন! আজকের দিনেও রিমোট কন্ট্রোলটা আমার হাতেই থাকবে, ওটা নিয়ে স্বপ্ন দেখিস না।
তুই বাড়ির ছোট হতে পারিস, কিন্তু শয়তানিতে তুই আমাদের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছিস। শুভ জন্মদিন লিটল ডেভিল।
ভাইয়া, তোর জন্মদিনে আমার একটাই দাবি—আমার ভাগের চকলেটটা যেন আমিই পাই। শুভ জন্মদিন!
আপু, তুই যত সাজগোজই করিস না কেন, আসল চেহারাটা তো আমিই জানি। শুভ জন্মদিন পেত্নী।
কাজিন মানেই ফ্রি স্পন্সর, তাই আজকের পার্টিটা তোর পকেট থেকেই যাবে। শুভ জন্মদিন ব্যাংক অব কাজিন।
তোর ছোটবেলার ন্যাংটা ছবিটা ফেসবুকে দেওয়ার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু মানসম্মানের ভয়ে দিলাম না। শুভ জন্মদিন!
বাড়ির সব ঝাড়ি খাওয়া আর আমার সব দোষ নিজের কাঁধে নেওয়ার জন্য তোকে ধন্যবাদ। শুভ জন্মদিন বলির পাঁঠা।
তুই আমার ভাই না হলে পুলিশে খবর দিতাম যে একটা এলিয়েন আমাদের বাসায় ঢুকে পড়েছে। শুভ জন্মদিন এলিয়েন।
শুভ জন্মদিন! আশা করি বড় হওয়ার সাথে সাথে তোর আমার জামা-কাপড় চুরির অভ্যাসটা কমবে।
ট্রিট চেয়ে জন্মদিনের ফানি ক্যাপশন
উইশ তো অনেক হলো, কিন্তু আসল কাজটা অর্থাৎ খাওয়া-দাওয়ার কী খবর? জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর আড়ালে ট্রিট চেয়ে জন্মদিনের ফানি ক্যাপশন জুড়ে দেওয়া হলো কৌশলে পেটপুজোর ব্যবস্থা করার সেরা উপায়। বন্ধুকে বুঝিয়ে দিন, শুধু শুকনো কথায় চিড়ে ভিজবে না, পার্টি আর বার্গার ছাড়া এই জন্মদিনের কোনো মানেই নেই।
উইশ তো করলাম, এবার বিরিয়ানির প্যাকেটটা কোন দিক থেকে আসছে সেটা বল? শুভ জন্মদিন!
জন্মদিনের শুভেচ্ছা নিবি ভালো কথা, কিন্তু পকেটে টাকা না থাকলে মেসেজ সিন করিস না, সোজা ব্লক খাবি।
দোস্ত, তোর জন্মদিনের কেকের চেয়ে আমার বেশি লোভ তোর দেওয়া ট্রিটের ওপর। জলদি লোকেশন পাঠা।
শুভ জন্মদিন! আজকের দিনে তোর দীর্ঘায়ু কামনা করছি, যাতে তুই আমাকে আরও অনেক বছর ট্রিট দিতে পারিস।
গিফট চাইলে লজ্জা পাবি, তাই গিফট চাই না। শুধু ভালো কোনো রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়ে খাইয়ে দে, তাতেই হবে।
আজকের আবহাওয়াটা ট্রিট দেওয়ার জন্য একদম পারফেক্ট, কৃপণতা না করে পকেটটা একটু হালকা কর।
শুভ জন্মদিন! তোর ওয়ালেটের স্বাস্থ্য কামনা করছি, কারণ ওটাই তো আজ আমাদের খাওয়াবে।
শুধু ‘থ্যাংক ইউ’ দিয়ে কাজ হবে না, পেটে খিদে আর জিহ্বায় জল—দুইটারই সমাধান চাই। ট্রিট কই?
দোস্ত, তুই যদি আজ ট্রিট না দিস, তাহলে আগামী এক বছর তোর নাম আমার ফোনে ‘কঞ্জুস’ হিসেবে সেভ থাকবে।
জন্মদিনের আসল আনন্দ তো তখন, যখন বিলটা তুই দিবি আর খাবারটা আমি খাব। শুভ জন্মদিন স্পন্সর!
